রফিকুল ইসলাম মিয়া ১৯৪৩ সালে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। রফিকুল ইসলাম (১৯৩৬ - ৬ই মার্চ, ২০১৮) ছিলেন একজন বাংলাদেশী চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী। তিনি ডায়রিয়া নিরাময়ের জন্য খাবার স্যালাইন (ওরস্যালাইন) আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল দ্য ল্যান্সেট তার আবিষ্কৃত খাবার স্যালাইনকে "চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার" বলে উল্লেখ করেছিল।
মনিরুল হক সাক্কু একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি কুমিল্লার প্রথম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।তিনি কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
ফজলুল হালিম চৌধুরী (জন্ম: ১ আগস্ট, ১৯৩০ - মৃত্যু: ৯ এপ্রিল, ১৯৯৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির একজন ফেলো।তিনি বাংলাদেশে ভৌত রসায়ন বিকাশে অগ্রণী অবদান রেখেছেন, ২০ টিরও বেশি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন।সেলুলোজ ফাইবার (বিশেষত পাট), পলিলেক্ট্রোলাইটস এবং প্রোটিন নিয়ে কাজ করেছিলেন।
পিয়াস ১৯৫৮ সালে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার রামপুর গ্রামের জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এম এ করিম আওয়ামী লীগের কুমিল্লা ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সদস্য ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগ জেলা ইউনিটের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পিয়াস করিম কুমিল্লা আধুনিক স্কুল থেকে প্রাথমিক এবং কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ঢাকা আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে পিয়াস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষে লিফলেট বিতরণের জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।
নাফিস কামাল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন ! এডইএক্সসিইএল ইন্টারন্যাশনাল থেকে ও-লেভেল এবং এ-লেভেল সম্পন্ন করেন। এবং নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উচ্চ মাধ্যমিক গবেষণার পর ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির (এমআইটি) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পড়াশুনা করে। তিনি শীর্ষ র্যাঙ্কযুক্ত ছাত্রদের মধ্যে একজন ছিলেন এবং শিল্প ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে অনেক পুরস্কার তিনি জিতেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসে দেশে পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যোগ দেন। তিনি তার পিতা এএইচএম মুস্তফা কামালের পদমর্যাদা অনুসরণ করেছেন, যিনি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং সফল একজন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, ক্রীড়া সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ। কামাল সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান অর্থমন্ত্রী। তিনি লোটাস-কামাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা, যেখানে নাফিসা বর্তমানে ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণের শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছেন। কামাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করেছেন।
মোহাম্মদ খোরশেদ আনোয়ার (১ জানুয়ারি ১৯৩৩ – ১৪ অক্টোবর ২০১৭) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং সাবেক উচ্চ-পদস্থ সরকারি আমলা। তিনি সংক্ষেপে এম. কে. আনোয়ার' নামে পরিচিত এবং পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ-পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারি চাকুরী হতে অবসর গ্রহণের পর রাজনীতিতে জড়িয়ে তিনি পরবর্তীতে ৫ বার জাতীয় সংসদ সদস্য এবং দুইবার মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
সমরজিৎ রায় চৌধুরী (জন্ম ১৯৩৭) হলেন একজন বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী। তিনি গ্রাফিক ডিজাইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করলেও প্রথম থেকেই সৃজনশীল সুকুমার শিল্পচর্চায় করেছেন এবং নিরীক্ষাধর্মী শিল্পচর্চার সাথে জড়িত আছেন। চিত্রকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।
নাসরিন আক্তার নিপুণ কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলায় জালগাঁও গ্রামে জুন ৯, ১৯৮৪ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নিপুণ নামে অধিক পরিচিত একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি ইতিমধ্যে দুবার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়লাভ করেছেন। ২০০৬ সালে তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।
আলম আরা মিনু (১০ জানুয়ারি ১৯৭৬) জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস হলো ভোলা জেলার চরফ্যাশনে। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেলার মেঘনার লুটেরচরে বসবাস করেন। তিনি বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী। তিনি এই পর্যন্ত প্রায় ১০০ বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য গান করেছেন। তিনি মূলত "যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে লক্ষ মুক্তি সেনা" গানটির জন্য সকলের কাছে জনপ্রিয়। এই গানটির সুরকার ছিল তারই স্বামী এবং বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সঙ্গীত সুরকার সেলিম আশরাফ।
মাহমুদ বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যা শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং জুন মাস পর্যন্ত ৩ নম্বর সেক্টরে তিনি যুদ্ধ করেছেন। এরপর তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শিল্পী হিসেবে যোগ দেন।
আনোয়ারা জামাল (জন্মঃ ১ জুন ১৯৪৮), যিনি আনোয়ারা নামেই অধিক পরিচিত, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী এবং নৃত্যশিল্পী। তিনি মোট ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। আনোয়ারা ১৯৪৮ সালের ১ জুন কুমিল্লাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা জামাল উদ্দিন ও মা ফরিদুন্নেসা। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে।
আতিকুল ইসলাম ১৯৬১ সালের ১ জুলাই নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলায় (বর্তমান তিতাস উপজেলা)। তার পিতার নাম মমতাজউদ্দিন আহমেদ ও মাতার নাম মাজেদা খাতুন। এই দম্পতির ৬ মেয়ে ও ৫ ছেলের মধ্যে আতিকুল সবার ছোট। আতিকুলের জন্মের সময় তার পিতা সৈয়দপুরে কর্মরত ছিলেন।আতিকুল বিএএফ শাহীন স্কুল ও কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন।
আঞ্জুম সুলতানা সীমা কুমিল্লা শহরের ঠাকুরপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আফজল খান এডভোকেট। মা নার্গিস সুলতানা পেশায় প্রধান শিক্ষিকা। তিনি ২০০০-০১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
রিয়ার এডমিরাল আবু তাহের এনসিসি, পিএসসি, রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. আবু তাহের ৪ জুন ১৯৯৯ থেকে ৩ জুন ২০০২ পর্যন্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ছিলেন । তিনি বরুড়া উপজেলার কৃতী সন্তান । বর্তমানে তিনি কুমিল্লা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ।
শিবনারায়ণ দাস ডিসেম্বের ১৬, ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল ডিজাইনার। তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন। ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৭ (বা ১১৮) নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার ডিজাইন সম্পন্ন করেন। এ পতাকাই পরবর্তীতে ১৯৭১ এর ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় উত্তোলিত হয়।
আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহার ১৯৫৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও ২৫৪ নং (কুমিল্লা-৬) আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন “সংসদ সদস্য” হিসাবে নির্বাচিত হন।সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে ৩ জানুয়ারী ২০১৯ তারিখে একাদশ সংসদের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন।
আজিজুল হাকিম কুমিল্লা জেলার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নের লুটেরচর গ্রামে জন্মেছিলেন। তিনি প্রকৌশলী আঃ হাকিম ও মহিজুন্নেসা। তিনি ছাত্র জীবন থেকে "আরিয়ানাক" থিয়েটার গ্রুপে যোগ দেন
আ হ ম মুস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৫ জুন কুমিল্লা জেলার নবগঠিত লালমাই উপজেলা বাগমারা ইউনিয়নের দুতিয়াপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম বাবরু মিয়া, মা মরহুমা সায়রা বেগম। লোটাস কামাল স্থানীয় দত্তপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬২ সালে এসএসসি, পরে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি, ১৯৬৪-১৯৬৭ সালে চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ থেকে বিকম (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন।
সঙ্গীতের যুবরাজ কুমিল্লার কৃতি সন্তান আসিফ আকবর ১৯৭২ সালের ২৫ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন তিনি।তাঁর পিতার নাম আলী আকবর। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। তাঁর স্ত্রীর নাম সালমা আসিফ মিতু। এ দম্পতির দুই সন্তান। তারা হলেন রণ এবং রুদ্র।